Webmaker Kiosk at BIW2015, Rajshahi

[[Disclaimer: This blog is written for those who can not wait to know how the event went. This contain no photos, as I don’t have them right now and barely contains any link. To see the final version, you have to wait a few days.]]

Bangladesh is a developing country. The current Government has promised the nation to present a fully digital country by 2021. This is currently buzzed as Vision 2021. To materialize this vision of a digital country, the government is greatly focusing on ITC development by opening various portal for public service and encouraging various types of e-commerce. To support and let people know about these services they could avail through the Internet (web) a fair was held at Nankin Bazar, Rajshahi on 9th September, 2015 as a part of the Bangladesh Internet Week celebration.

Mozilla has been developing tools to help people surf and use the web safely. But, in recent years it has focused on sharing and making on the web. In 2015, Mozilla has introduced a new Android application named Webmaker, which focuses on content sharing on the web, without any prior knowledge of programming or web page generating. The whole app works with simple touch gestures and drag ‘n drop. So, it’s pretty easy to use and almost everyone can use it.

A few days ago, Mahay Alam Khan Bhai and Belayet Bhai open called for volunteers to help in the kiosks around the country. From their tweets and Facebook posts, I came to know about this opportunity. Then, they organized us, and provided us with necessary tools. They also tried really hard to get the kiosks for the demonstration purpose. Luckily, we could manage a Kiosk for demonstrating the Webmaker App in BIW2015 Rajshahi.

Me and Papun bhai, reached the venue at around 9AM, while we were on the way, we thought we’d be late but it surprised us when we reached the venue we were the early birds. After finding our kiosk we were disappointed to see that, our kiosk had a misspelled tag, written “Mozila” on it. So, without any delay we called the authorities and I gave them a paper with the correct spelling. Then, I unwrapped the banners and started planning where to put all the banners and other stuff. After finding the sweet spot, I held the banners in position and Papun bhai secured them with tapes. After all banners were secured, we started counting and arranging our swags, stickers and pamphlets. Luckily by that time they had swapped the misspelled tag with the correct one.

At around 10 AM Istiaque bhai joned the party! By the time he joined us, all the exhibitors and other participants were called outside to witness the grand opening of BIW 2015 Rajshahi. There

Zunaid Ahmed Palak, Ministry of Post, Telecommunications & Information Technology, gave inspiring speech and lots of other thing.

At around 11AM, we got back to our Kiosk, this time with our Photographer Tumon bhai, his friend Fuad and another Mozillian Robin.

The stream of visitors were attracted to our kiosk as it was the first kiosk. So, God, we had to deal with a lot of people, a lot. From the very beginning our kiosk was almost full every minute. We had Six volunteers for demonstration and I don’t remember if I saw them sitting or being idle for a single minute. We were asking everyone to get their phone out and download the app then we encouraged them to open an account and made them familiar with the concept and idea behind Webmaker. Actually, I got a few interesting visitors, who wanted to go deep and I had to talk with them over 5 minutes. They asked about, how Webmaker is different from other online content sharing platforms like WordPress and Blogger. And many others wanted to know how to share, who can visit their makes, to whom these are visible, will their name will be removed if someone remixes their makes and tons of other interesting questions. We were giving away, awesome Webmaker stickers, whoever downloaded the app at our kiosk or could show the app installed in their phone! It was Awesome that, I was lucky enough that, one visitor, met me outside, after the fair, and showed me his first project, which were basically selfies with his buddies. The booth was so busy that our Photographer Tumon bhai actually got tired. So, I asked for his camera and told him to demonstrate the App while I took the Photos. The people who knew me and visited the fair cut jokes on me saying, “Hey, Mahir, from Developer to Photographer? What’s wrong with you man?”, I just smiled as I literary didn’t have anytime to talk with them unless they were the visitors of our kiosk.

At around, 1:30PM, We decided to split up for lunch and four of us, including me went for the lunch, while the others remained at the kiosk to demonstrate and welcome visitors. When we returned, the other party went for lunch. Surprisingly, they were able to attend 10 visitors by the time we were at lunch!

The event ended at 4PM, after rolling up everything, we headed for our home at 5PM with no energy left.

This event was great! With events like this, we can get into the mainstream lot easier. I think we should participate these kinds of events every time we get chance!


মেকারপার্টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

১৫ জুলাই হতে ১৫ সেপ্টেম্বর এ বছরের মেকারপার্টি সীজন। তাই ফেসবুক আর টুইটার জুড়ে শুধুই মেকারপার্টি আর মেকারপার্টি! আরেক কথায় আকাশে বাতাসে মেকারপার্টি!!!

প্রথমেই মেকারপার্টি নিয়ে সংক্ষেপে কিছু কথা বলে নি, মেকারপার্টি মূলত ওয়েবমেকারদের মিলন মেলা। মেকারপার্টিতে ওয়েবমেকারগণ একত্রিত হন এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অসাধারন কিছু কন্টেন্ট ওয়েবে তৈরী করেন। ওয়েবে কন্টেন্ট তৈরীর জন্য বিভিন্ন ব্যাবস্থা থাকলেও মোজিলা তার “ওপেন ওয়েব” ফিলোসফিকে ছড়িয়ে দেবার জন্য ও ওয়েবের খুটিনাটি সকলের কাছে উন্মুক্ত করতে ওয়েবমেকার নামক প্রজেক্ট শুরু করে। মূলত ওয়েবমেকারগণ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি তাদের মেক এর মাধ্যমে তুলে ধরেন।

গেল ১৬ জুলাই আমি, হিমু এর সহযোগিতায় তার বাড়িতে একটি মেকারপার্টির আয়োজন করি। আমার মূল উদ্দেশ্য ছিল যারা ওয়েবমেকার সম্পর্কে কিছু জানে না তাদের ওয়েবমেকার ও এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানানো। তাই আমি হিমুর বাড়িতে আমার আরো ৯ জন বন্ধুকে মেকার পার্টির জন্য আমন্ত্রন জানাই। এরা ছিল ওয়েব সম্পর্কে সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ তাই আমার করা প্রথম কাজটি ছিল এদের টুলস গুলি সম্পর্কে ধারনা দেয়া। টুলস সম্পর্কে ধারনা দেবার পরে আমি তাদের সামনে ওয়েবমেকার ফিলোসফি গুলি একেএকে তুলে ধরি। তারপর তাদের বুঝিয়ে দেয় যে তারা প্রধানত দুই ধরনের কন্টেন্ট মেক করতে পারে, এক: তথ্য শেয়ার করার জন্য আর দুই: বিভিন্ন বিষয় শিক্ষা দেবার জন্য। প্রাথমিক এইসব ধারনা দেবার পর তাদের পরিচয় করাই বাংলাদেশী সংষ্কৃতি রক্ষার্থে এবছরের ওয়েবমেকার বাংলাদেশ নির্ধারিত থিম বাংলামেক এর সাথে। এরপর সীমিত সংখ্যক পিসি ও নেটের কারনে মোট ১০ জন নতুন অংশগ্রহন কারীকে আমি ৫ টি আলাদা আলাদা গ্রুপে বিভক্ত করে দেই। এতে যেমন তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ভাল কাজ করার সুযোগ পায় তেমনি নেট ও পিসির অভাবটাও পুষিয়ে যায়। টানা আড়াই ঘন্টা গুগলিং, ফটো আপলোডিং, হ্যাকিং, রিমিক্সিং এর পর আমাদের মেকার পার্টি শেষ হয়।

যদিও আমার আশানারূপ মেক পার্টি চলাকালীন তৈরী সম্ভব হয়নি, তারপও আমি এটিকে একটি সফল ইভেন্ট হিসেবে ধরছি, কারন ৫ টি গ্রুপ ৩টি মেক পার্টি চলাকালীন শেষ করেছে, বিভিন্ন সমস্যা থাকা সত্তেও। এছাড়াও, এই ইভেন্টের মাধ্যমে ১০ জন সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞদের ওয়েবমেকার নিয়ে ধারণা দেয়া হয়েছে।

চাাঁপাইনবাবগজ্ঞ মেকারপার্টিতে কি কি মেক হয়েছে জানতে এখানে ক্লিক করুন।

মোজট্যুর রাজশাহী, একটি অনন্য অভিজ্ঞতা

মানুষের জীবন অভিজ্ঞতা দিয়েই গড়া। প্রতিনিয়ত মানুষ নতুন নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করেই চলেছে কিন্তু কিছু কিছু অভিজ্ঞতা মানুষের জীবনে একবারই আসে, তার আর কোন দ্বিতীয় সুযোগ থাকে না। জীবনে প্রথম কিছু করলে যেমন কিছু আনন্দ পাওয়া যায় তেমনি করার সময় কাজ করে নতুন কিছু করার উদ্যম সাথে হালকা কিছু ভয়। ঠিক এই রকমই কিছু নতুন পুরাতন অনন্য অভিজ্ঞতা হয় মোজট্যুর রাজশাহীর অংশ হয়ে।

প্রথমেই মোজট্যুর সম্পর্কে কিছু বলে নিতে চাই। মোজিলা একটি অলাভজনক সংস্থা এবং এরা “ওপেন ওয়েব” কে ছড়িয়ে দেবার জন্যে সারা পৃথিবী জুড়ে কিছু অনুষ্ঠানের আয়জোন করে থাকে। যে শহরে অনুষ্ঠান সেখানে যদি ঐরকম একটি অনুষ্ঠান করার মত জনবল না থাকে তাহলে অর্থাৎ বক্তৃতা দেবার জন্যে বা মানুষকে মজিলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবগত করতে ঐ শহরের বাইরে থেকে কিছু লোক (প্রতিনিধি) পাঠানো হয়ে থাকে। যেমনঃ মোজট্যুর রাজশাহীর জন্যে রাজশাহী শহরের বাইরে থেকে আশিকুর রহমান নূর, রাহিদ হাসান , সাফওয়ান রহমান , রাব্বি হোসেন এবং আমি রাজশাহী যাই এবং অনুষ্ঠানটিতে আমাদের বিভিন্ন সেবা, উদ্দেশ্য তুলে ধরি। এই যে বাইরে থেকে বিভিন্ন মোজিলিয়ানদের একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে অন্য শহরে মোজিলার উদ্দেশ্য ছড়িয়ে দেয়াকেই বলা হয় মোজট্যুর।

মোজট্যুর রাজশাহী শুরু হবার একদিন আগেই অর্থাৎ, ১৬ ই এপ্রিল, আমি রাজশাহীতে গিয়ে পৌছাই এবং সেখানকার স্থানীয় প্রতিনিধি ফরহাদ হোসেন এর সাথে আগামী অনুষ্ঠান নিয়ে কিছু আলোচনা করি। উল্লেখ্য, আগামী দিন অর্থাৎ ১৭ তারিখ ফরহাদ ভাই এর প্রতিষ্ঠান রাজশাহী পলিটেকনিকে অনুষ্ঠান ছিল তাই আমরা এই বিষয় নিয়ে একটু আলাপ আলোচনা করে সব ঠিক করে নেই। বেশ কিছুক্ষন আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আমরা কিছু কিছু বিষয়ে একমত হই এবং যে যার বাড়ি চলে যাই।

ঢাকা থেকে আসছিলেন আশিকুর রহমান নূর, রাহিদ হাসান (রবিন) , সাফওয়ান এবং রাব্বি হাসান। তারা ট্রেনে ভ্রমন করছিলেন এবং সকাল প্রায় ৪ টা ৫৫ এর দিকে তারা রাজশাহী এসে পৌছান। তাদের অভ্যর্থনা জানাতে সেইসময়ে স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন ফরহাদ ভাই। ফরহাদ ভাই তাদের সাথে করে নিয়ে হোটেলে পৌঁছিয়ে দেন এবং তাদের বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। নূর ভাই এর সাথে আমার আগে থেকেই কথা হয়েছিল এবং আমি উনার কথা মত সকাল সাড়ে নয়টায় হোটেলে গিয়ে পৌছাই। আমি প্রথমে রাহিদ ভাইয়াদের রুমে যাই এবং সেখানে রাহিদ ভাইয়া ও রাব্বি ভাইয়ার সাথে কিছুক্ষন আলাপ আলোচনা করি। আমাদের আলোচনায় প্রাধান্য পায়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যেসব অনুষ্ঠানে আমরা অংশগ্রহন করব তাদের এবং আমাদের প্রস্তুতি নিয়ে। কিছুক্ষনের মধ্যেই রাহিদ ভাইয়াদের রুমে নূর ভাইয়া ও সাফওয়ান এসে পড়েন। নূর ভাই এসেই প্রথমে ফরহাদ ভাই কে ডাক দিতে বলেন এবং আমি ফরহাদ ভাই কে ফোন দেই, সে তার প্রতিষ্ঠানে প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত আছে জানায় এবং প্রায় ১৫ মিনিট পরে আমাদের সাথে যোগ দেয়। ফরহাদ ভাই এসে পড়ার পর আমরা নাস্তা করার জন্যে বের হই। নাস্তা করার সময় আমাদের সাথে যোগ দেন রায়হান ভাই। নাস্তা করার পর আমরা রাজশাহী পলিটেকনিক এর উদ্দেশ্যে রওনা দেই। হোটেল থেকে পলিটেকনিক এর দুরত্ব ছিল প্রায় ৫ মিনিট।

দিন-১ – রাজশাহী পলিটেকনিক – মজিলা সচেতনা কার্যক্রমঃ

আমরা রাজশাহী পলিটেকনিক পৌঁছে প্রথমেই রাজশাহী পলিটেকনিকের CSE এর প্রধানের সাথে সাক্ষাত করতে যাই। তিনি আমাদের কার্যক্রম নিয়ে কিছু প্রশ্ন করেন এবং এর পর আমরা পলিটেকনিক প্রধানের সাথে দেখা করতে যাই। তিনি আমাদের প্রোডাক্ট ও সেবা সহ আমাদের কার্যক্রম নিয়ে বেশকিছু প্রশ্ন করেন এবং আমাদের কার্যক্রমে সম্মতি দান পূর্বক আমাদের অনুষ্ঠান স্থলে নিয়ে যেতে ফরহাদ ভাই কে বলেন। ইতমধ্যেই আমাদের সাথে রুয়েটের কিছু মোজিলিয়ান , আশিকুর রহমান অমিত , মোঃ রাশেদুল ইসলাম, আশিকুর রহমান, মাহাবুবুর রহমান মিলন , প্রমি আমিনা নাসরিন যোগ দান করেন।

কিছু সময় পর আমরা অনুষ্ঠান কক্ষে যাই এবং আমাদের যেখানে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখানে গিয়ে স্থান গ্রহন করি। কিছু সময় পর কোরান তিলাওতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। প্রথমেই উপস্থাপক একজন শিক্ষককে ভাষন দেবার জন্যে ডাকেন এবং তার ভাষন শুরু হবার পর, মোজিলা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রাহিদ ভাইয়া পরিচিতি ভাষণ দেন। তার ভাষনে তিনি মোজিলার উদেশ্য, কেন মানুষকে মোজিলা তে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করা উচিৎ, কিভাবে তারা কাজ করতে পারেন ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরেন। অতঃপর আমার জন্যে সব থেকে ভয়ের সময় আসে, স্টেজ থেকে ডাক আসে , “মাহির চৌধূরী আসছেন WebMaker নিয়ে কথা বলতে…..” আমি অনেকটা ভীত ভাবেই স্টেজে যাই। ভীত ছিলাম কারন সেইদিন সকাল পর্যন্ত আমি জানি না যে আমাকে WebMaker নিয়ে কথা বলতে হবে। আমি স্টেজে যাবার পরেই স্বাভাবিক কারনেই টেকনিক্যাল দিকে বেশী ঝোক দিলে নূর ভাই আমাকে ইশারায় তা করতে নিষেধ করেন এবং আমি জেনারেল ভাবে WebMaker এর দরকারী দিক গুলি তুলে ধরি। আমার পর স্টেজে সাফওয়ান আসে এবং SuMo নিয়ে কথা বলে।
এর পরে প্রমি আপু, WoMoz নিয়ে কিছু কথা বলেন। সবার শেষে আসেন নূর ভাই, তিনি উপস্থিত ব্যক্তি দের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। শেষ মুহুর্তে সাফওয়ান সোয়াগ ( স্টিকার এবং ব্যাজ) বিতরন করে। অনুষ্ঠান শেষে নূর ভাই ফরহাদ ভাই এর বন্ধুদের নিয়ে লোকাল ক্লাব গড়ে দেন। এরপর আমরা হোটেলে ফিরে আসি।

এইভাবেই শেষ হয় মোজট্যুর রাজশাহীর প্রথম দিন…..

স্মরনীয় এই দিনের কিছু ছবি দেখুন, এখানে।

আগামীতে RUET App Train Day সম্পর্কে লিখব, ইনশাল্লাহ।

Webmaker party in Chapainawabganj

In the north of Bangladesh Chapainawabganj is an important district with a really great historical value. The best high school here is Horimohan Govt High School. I’m a proud student of this school.

For a couple of months I’m seeing Noor vi organizing events on Webmaker. I became quite interested. I started talking with him and he agreed to organize one in my school. After getting the permission of school authority we fixed the date to 29 August, 2013. We reached the venue @9AM on the fixed date and hoisted the banner for the event. Then the students who were interested in that event started coming as they were notified about the event two days earlier. Soon we’re out of seat for any new guy. I can still remember that me and one of my friend were standing and enjoying whatever Noor vi was saying. The speech and the presentation was so charming that we two couldn’t realize that we both passed two hours standing!


In the event Noor vi talked about Popcorn Maker and Thimble. The students were really interested in these tools, specially in Popcorn Maker. We, the Mozilla team, had a lot of response from the young people of my school. Many became interested in joining us. Interested people contacted me latter for the tools and how to install them. Some of them went a step further and asked for a complete tutorial.


That was a successful event. Our goal was to make new devs and we did so. I can still remember the crowd screaming for Webmaker t-shirts but we could manage only 3. Hope we’ll get some future contributors from there.
EVENT PHOTOS: http://www.flickr.com/photos/75777140@N06/collections/72157635326849363/

Photo courtesy: Me 😛
Upload courtesy: the one and only Noor vi